ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে হত্যার ১৯ বছর পর ফাঁসি হলো স্বামীর

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১
  • / ১০৬২ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীকে হত্যার ১৯ বছর পর ফাঁসি হলো স্বামীর

জেলা প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরে স্ত্রীকে হত্যায় আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ, জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন, রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল হক রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়ার আছির উদ্দীনের ছেলে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে আব্দুল হকের সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন পরিবারের ১৫ সদস্য ও নিকটাত্মীয়। সে সময় তারা আব্দুল হককে তার পছন্দের খাবার খাওয়ান। সন্ধ্যায় আব্দুল হককে অজু ও গোসলের পর তওবা পাঠ করান কারা মসজিদের ইমাম। ফাঁসি কার্যকরের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

[irp]

দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন জানান, ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্ত্রী বেলি বেগমকে হত্যা করেন মো. আব্দুল হক। ওই ঘটনায় তার শাশুড়ি মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে আব্দুল হক কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ওই মামলায় ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আব্দুল হককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টে সাজা বহাল থাকায় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন তিনি। চলতি বছরের ১৮ মে রাষ্ট্রপতি আবেদন নামঞ্জুর করলে আব্দুল হকের ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

[irp]

ট্যাগস :

স্ত্রীকে হত্যার ১৯ বছর পর ফাঁসি হলো স্বামীর

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

স্ত্রীকে হত্যার ১৯ বছর পর ফাঁসি হলো স্বামীর

জেলা প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরে স্ত্রীকে হত্যায় আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ, জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন, রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল হক রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়ার আছির উদ্দীনের ছেলে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে আব্দুল হকের সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন পরিবারের ১৫ সদস্য ও নিকটাত্মীয়। সে সময় তারা আব্দুল হককে তার পছন্দের খাবার খাওয়ান। সন্ধ্যায় আব্দুল হককে অজু ও গোসলের পর তওবা পাঠ করান কারা মসজিদের ইমাম। ফাঁসি কার্যকরের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

[irp]

দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন জানান, ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্ত্রী বেলি বেগমকে হত্যা করেন মো. আব্দুল হক। ওই ঘটনায় তার শাশুড়ি মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন। ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে আব্দুল হক কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ওই মামলায় ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আব্দুল হককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টে সাজা বহাল থাকায় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন তিনি। চলতি বছরের ১৮ মে রাষ্ট্রপতি আবেদন নামঞ্জুর করলে আব্দুল হকের ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

[irp]