ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
  • / ১০৫৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর গুলিতে আরও আট বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। নিহতরা সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। রোববার (২ মে) দেশটির বেশ কয়েকটি বড় শহরে বিক্ষোভরত মানুষের ওপর সামরিক বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে নিহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রোববার মিয়ানমারজুড়ে বড় ও ছোট শহরগুলোতে সাধারণ মানুষ ‘দ্য গ্লোবাল মিয়ানমার স্প্রিং রিভোলিউশন’-এর আহ্বান জানিয়ে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অংশ নেয়। এছাড়া পোপ ফ্রান্সিস শান্তির আহ্বান জানানোর পর বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে মিয়ানমারের বাইরেও।

[irp]

অন্যদিকে ওয়েটলেট শহরে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম মিয়ানমার নাউ। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান প্রদেশের দু’টি পৃথক শহরে আরও দুজনকে হত্যা করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। উত্তরাঞ্চলীয় পাকান্ত শহরেও একজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাচিন নিউজ গ্রুপ।

বার্তসংস্থা রয়টার্স অবশ্য নিহতের এই সংখ্যাটি যাচাই করতে পারেনি। এছাড়া এ বিষয়ে জানতে জান্তা সরকারের এক মুখপাত্রের সঙ্গে রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে গত ১ ফেব্রুয়ারি এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আক্ষরিক অর্থেই ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে ছুঁড়ে ফেলে দেশের ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাপ্রধান মিং অং হ্লেইং এর নেতৃত্বে সংঘটিত ওই অভুত্থানে বন্দি হন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী সু চি এবং তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বেশ কয়েকজন সদস্য। এদের মধ্যে সু চির মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রী, প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী ও পার্লামেন্ট সদস্যরাও রয়েছেন।

এরপর থেকেই গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮

আপডেট সময় : ১১:১৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর গুলিতে আরও আট বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। নিহতরা সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। রোববার (২ মে) দেশটির বেশ কয়েকটি বড় শহরে বিক্ষোভরত মানুষের ওপর সামরিক বাহিনী গুলিবর্ষণ করলে নিহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রোববার মিয়ানমারজুড়ে বড় ও ছোট শহরগুলোতে সাধারণ মানুষ ‘দ্য গ্লোবাল মিয়ানমার স্প্রিং রিভোলিউশন’-এর আহ্বান জানিয়ে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অংশ নেয়। এছাড়া পোপ ফ্রান্সিস শান্তির আহ্বান জানানোর পর বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে মিয়ানমারের বাইরেও।

[irp]

অন্যদিকে ওয়েটলেট শহরে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম মিয়ানমার নাউ। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান প্রদেশের দু’টি পৃথক শহরে আরও দুজনকে হত্যা করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। উত্তরাঞ্চলীয় পাকান্ত শহরেও একজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাচিন নিউজ গ্রুপ।

বার্তসংস্থা রয়টার্স অবশ্য নিহতের এই সংখ্যাটি যাচাই করতে পারেনি। এছাড়া এ বিষয়ে জানতে জান্তা সরকারের এক মুখপাত্রের সঙ্গে রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে গত ১ ফেব্রুয়ারি এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আক্ষরিক অর্থেই ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে ছুঁড়ে ফেলে দেশের ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাপ্রধান মিং অং হ্লেইং এর নেতৃত্বে সংঘটিত ওই অভুত্থানে বন্দি হন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী সু চি এবং তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বেশ কয়েকজন সদস্য। এদের মধ্যে সু চির মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রী, প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী ও পার্লামেন্ট সদস্যরাও রয়েছেন।

এরপর থেকেই গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ।