ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ Logo চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলাম Logo ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা Logo নড়াইলের সিঙ্গাশোলপুরে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-৪ Logo রাজধানীতে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ Logo ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে Logo মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শেরপুরে ছাত্রদলের মানববন্ধন Logo সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী সুমন Logo হাজারের বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন Logo সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতার লক্ষে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’, কোনও আরোহী বেঁচে নেই

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • / ১০৬৮ বার পড়া হয়েছে

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’ বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি সেখানে কারও ‘বেঁচে থাকার বা জীবিত থাকার কোনও চিহ্ন’ নেই বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (২০ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও সিএনএন।

বিবিসি বলছে, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার মুখে পড়ার পর সেখানে কারও জীবিত থাকার ‘কোনও চিহ্ন’ নেই বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি বলছে। অন্যদিকে ইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স আরও জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইএনএন এবং আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি।

এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়ার বেশ লম্বা সময় পর অবশেষে উদ্ধারকারীরা রাইসির হেলিকপ্টার খুঁজে পান। তবে ইরানি এই প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীরা বেঁচে আছেন কি না সেটি তখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

এর আগে রোববার একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট রাইসি আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কিজ কালাসি এবং খোদাফারিন বাঁধ দুটি উদ্বোধন করেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি ইরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইএনএন এবং আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি।

এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়ার বেশ লম্বা সময় পর অবশেষে উদ্ধারকারীরা রাইসির হেলিকপ্টার খুঁজে পান। তবে ইরানি এই প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীরা বেঁচে আছেন কি না সেটি তখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

এর আগে রোববার একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট রাইসি আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কিজ কালাসি এবং খোদাফারিন বাঁধ দুটি উদ্বোধন করেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি ইরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ানসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ার পর তাদের উদ্ধারের জন্য উদ্ধার-কর্মীরা ঘন কুয়াশাসহ কঠিন পরিস্থিতিতে অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করছেন।

এছাড়া প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারের সম্ভাব্য দুর্ঘটনাস্থলে ৭৩টি উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে বলে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, উদ্ধারকারীরা তুর্কি ড্রোনের মাধ্যমে চিহ্নিত এলাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে রাইসির হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, ডিটেক্টর কুকুর-সহ ৭৩ টি দল এই উদ্ধার প্রচেষ্টায় জড়িত রয়েছে। তবে বৃষ্টি এবং কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা হ্রাসের কারণে আবহাওয়ার পরিস্থিতি সেখানে বেশ প্রতিকূল রয়ে গেছে।

এছাড়া প্রেসিডেন্ট রাইসির সন্ধানে সহায়তার জন্য রাশিয়া ইরানে একটি উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, রাশিয়ার এই দলটিতে ৪৭ জন বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী, বেশ কয়েকটি যানবাহন যা উঁচু-নিচু ও অসমতল ভূমিতে চলতে পারে এবং একটি হেলিকপ্টার রয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, উদ্ধারকারী এই সরঞ্জামগুলো এখন লোড করা হচ্ছে এবং পরে ইরানের তাবরিজ শহরে সেটি পাঠানো হবে। দুর্ঘটনার আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট এই শহরেই গিয়েছিলেন।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে উদ্ধৃত করে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘হেলিকপ্টার এবং উদ্ধারকারী দলটির সবাই উচ্চ উচ্চতায় সবচেয়ে কঠিন কাজ করতে প্রস্তুত। কুয়াশাসহ আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের বিশেষজ্ঞরা সেই উদ্ধার প্রচেষ্টায় যোগ দেবেন।’

এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের জোলফা অঞ্চলের এই অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য আরও বেশ কয়েকটি দেশ তাদের উদ্ধারকারী দলও পাঠাচ্ছে।

আল জাজিরা বলছে, ‘প্রায় অনিবার্য’ আবহাওয়াই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ভূমিকা রেখেছে বলে একজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। পল বিভার নামে একজন বিমান বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক হেলিকপ্টার পাইলট বলেছেন, ব্যাপক ঘন মেঘ, কুয়াশা এবং নিম্ন তাপমাত্রা অবশ্যই ইরানের প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টারটির বিধ্বস্ত হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেছেন, ফিক্সড-উইং প্লেনের বিপরীতে হেলিকপ্টারগুলো খুব সহজেই এমন আবহাওয়াই ওপরে উড়তে পারে না। হেলিকপ্টারগুলোর সেই ধরনের সক্ষমতা নেই।

রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে সেখানে ভারী কুয়াশা থাকায় অনুসন্ধান অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা ওই এলাকার দৃষ্টিসীমা মাত্র পাঁচ মিটারে নেমে এসেছে বলেও খবর পাওয়া যায়।

ট্যাগস :

রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’, কোনও আরোহী বেঁচে নেই

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’ বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি সেখানে কারও ‘বেঁচে থাকার বা জীবিত থাকার কোনও চিহ্ন’ নেই বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (২০ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও সিএনএন।

বিবিসি বলছে, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার মুখে পড়ার পর সেখানে কারও জীবিত থাকার ‘কোনও চিহ্ন’ নেই বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি বলছে। অন্যদিকে ইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স আরও জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটি ‘সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে’।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইএনএন এবং আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি।

এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়ার বেশ লম্বা সময় পর অবশেষে উদ্ধারকারীরা রাইসির হেলিকপ্টার খুঁজে পান। তবে ইরানি এই প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীরা বেঁচে আছেন কি না সেটি তখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

এর আগে রোববার একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট রাইসি আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কিজ কালাসি এবং খোদাফারিন বাঁধ দুটি উদ্বোধন করেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি ইরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইএনএন এবং আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির দুর্ঘটনাস্থলে ‘কোনও জীবিত ব্যক্তি’ পাওয়া যায়নি।

এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়ার বেশ লম্বা সময় পর অবশেষে উদ্ধারকারীরা রাইসির হেলিকপ্টার খুঁজে পান। তবে ইরানি এই প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীরা বেঁচে আছেন কি না সেটি তখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি।

এর আগে রোববার একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট রাইসি আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কিজ কালাসি এবং খোদাফারিন বাঁধ দুটি উদ্বোধন করেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি ইরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ানসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ার পর তাদের উদ্ধারের জন্য উদ্ধার-কর্মীরা ঘন কুয়াশাসহ কঠিন পরিস্থিতিতে অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করছেন।

এছাড়া প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারের সম্ভাব্য দুর্ঘটনাস্থলে ৭৩টি উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে বলে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, উদ্ধারকারীরা তুর্কি ড্রোনের মাধ্যমে চিহ্নিত এলাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে রাইসির হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, ডিটেক্টর কুকুর-সহ ৭৩ টি দল এই উদ্ধার প্রচেষ্টায় জড়িত রয়েছে। তবে বৃষ্টি এবং কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা হ্রাসের কারণে আবহাওয়ার পরিস্থিতি সেখানে বেশ প্রতিকূল রয়ে গেছে।

এছাড়া প্রেসিডেন্ট রাইসির সন্ধানে সহায়তার জন্য রাশিয়া ইরানে একটি উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, রাশিয়ার এই দলটিতে ৪৭ জন বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী, বেশ কয়েকটি যানবাহন যা উঁচু-নিচু ও অসমতল ভূমিতে চলতে পারে এবং একটি হেলিকপ্টার রয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, উদ্ধারকারী এই সরঞ্জামগুলো এখন লোড করা হচ্ছে এবং পরে ইরানের তাবরিজ শহরে সেটি পাঠানো হবে। দুর্ঘটনার আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট এই শহরেই গিয়েছিলেন।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে উদ্ধৃত করে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘হেলিকপ্টার এবং উদ্ধারকারী দলটির সবাই উচ্চ উচ্চতায় সবচেয়ে কঠিন কাজ করতে প্রস্তুত। কুয়াশাসহ আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের বিশেষজ্ঞরা সেই উদ্ধার প্রচেষ্টায় যোগ দেবেন।’

এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের জোলফা অঞ্চলের এই অনুসন্ধান প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য আরও বেশ কয়েকটি দেশ তাদের উদ্ধারকারী দলও পাঠাচ্ছে।

আল জাজিরা বলছে, ‘প্রায় অনিবার্য’ আবহাওয়াই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ভূমিকা রেখেছে বলে একজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। পল বিভার নামে একজন বিমান বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক হেলিকপ্টার পাইলট বলেছেন, ব্যাপক ঘন মেঘ, কুয়াশা এবং নিম্ন তাপমাত্রা অবশ্যই ইরানের প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টারটির বিধ্বস্ত হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেছেন, ফিক্সড-উইং প্লেনের বিপরীতে হেলিকপ্টারগুলো খুব সহজেই এমন আবহাওয়াই ওপরে উড়তে পারে না। হেলিকপ্টারগুলোর সেই ধরনের সক্ষমতা নেই।

রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে সেখানে ভারী কুয়াশা থাকায় অনুসন্ধান অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা ওই এলাকার দৃষ্টিসীমা মাত্র পাঁচ মিটারে নেমে এসেছে বলেও খবর পাওয়া যায়।