ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ Logo চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলাম Logo ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা Logo নড়াইলের সিঙ্গাশোলপুরে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-৪ Logo রাজধানীতে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ Logo ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে Logo মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শেরপুরে ছাত্রদলের মানববন্ধন Logo সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী সুমন Logo হাজারের বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন Logo সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতার লক্ষে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১৬৫ বার পড়া হয়েছে
  • Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ।ভারতীয় Star গ্রুপের পাঁচ চ্যানেলের পরিবেশক জাদু ভিশনের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে স্টার প্লাস, স্টার জলসাসহ ৭ চ্যানেল বন্ধের হুমকি দিয়েছে ক্যাবল অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

Star জলসা, Star Plus সহ বিভিন্ন ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।  চ্যানেলগুলোর পরিবেশক জাদু ভিশনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সমাধান হওয়ায় বাংলাদেশে স্টার গ্রুপের ওই চ্যানেলগুলো বুধবার থেকে সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে কেবল অপারেটররা। 

কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম আনোয়ার পারভেজ সাংবাদিকদের জানান, ‘পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে স্টার গ্রুপের (স্টার প্লাস, স্টার জলসা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, স্টার গোল্ড ও লাইফ ওকে) সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে কেবল অপারেটররা।
তবে যেসব অপারেটর কোয়াবের সদস্য নয়, তারা সম্প্রচার চালু রেখেছে জানিয়ে আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘আমরা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছি, এর ফলে দেশের মোট ৭৫ শতাংশ দর্শক এবং ঢাকার প্রায় ৯০ শতাংশ দর্শক এসব চ্যানেল দেখতে পারছে না।
গত ২৮ অক্টোবর কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) ঐক্য পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাদু ভিশনের বিভিন্ন নেটওয়ার্কে বন্ধ করে দেওয়া স্টার গ্রুপের সিগন্যাল পুনঃসংযোগ না দিলে ৪ নভেম্বর থেকে এসব চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে চারটি বিদেশি পে-চ্যানেল পরিবেশক রয়েছে। এর মধ্যে জাদু ভিশন লিমিটেড স্টার গ্রুপের (স্টার প্লাস, স্টার জলসা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, স্টার গোল্ড ও লাইফ ওকে) বাংলাদেশের পরিবেশক হিসেবে ২০১০ সাল থেকে ব্যবসা করে আসছে।জাদু ভিশনের মালিকানা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রয়াত আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হকের।
জাদু ভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কুনাল দেশমুখ বলেন, “বর্তমানে দেশে ৬০০ এর উপর বৈধ কেবল অপারেটর রয়েছে, যাদের মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যক কেবল অপারেটর নিজেদের কোয়াব ঐক্য পরিষদ বলে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে অবাঞ্ছিত কিছু বিষয় সামনে নিয়ে এসে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণের চেষ্টা করছে।অল্প কিছু অপারেটর স্টার বয়কটের নামে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে দাবি করে কুনাল বলেন, “তারা নানা অজুহাতে বিপুল পরিমাণ বিল পরিশোধ করছে না।
সমস্যা সমাধানে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা চেষ্টা করছে সমস্ত বাংলাদেশের কেবল অপারেটরদের বিল অনৈতিকভাবে ‘ওয়ান অ্যালায়েন্স’ নামক সংগঠনের মাধ্যমে জোরপূর্বক সংগ্রহ করতে, যা ব্যবসায়িক নীতি ও আইনের পরিপন্থী।
আমরা বরাবরই সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। কোনো কেবল অপারেটর যদি বিল পরিশোধের মাধ্যমে এককভাবে বসে সমঝোতা করতে চায় তাহলে তাদের জন্য আমাদের দরজা সব সময়ই খোলা।Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ
সমস্যা সমাধানে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাদু ভিশনের এই কর্মকর্তা বলেন, কেবল অপারেটর এবং পে-চ্যানেল সরবরাহকারীর মধ্যে সরকার অনুমোদিত একটি সার্বজনীন সাবস্ক্রিপশন চুক্তি সরকার থেকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হোক। এর ফলে কেবল অপারেটররা ঝামেলা ছাড়াই ব্যবসা করতে পারবেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে না।’

Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০
  • Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ।ভারতীয় Star গ্রুপের পাঁচ চ্যানেলের পরিবেশক জাদু ভিশনের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে স্টার প্লাস, স্টার জলসাসহ ৭ চ্যানেল বন্ধের হুমকি দিয়েছে ক্যাবল অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

Star জলসা, Star Plus সহ বিভিন্ন ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।  চ্যানেলগুলোর পরিবেশক জাদু ভিশনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সমাধান হওয়ায় বাংলাদেশে স্টার গ্রুপের ওই চ্যানেলগুলো বুধবার থেকে সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে কেবল অপারেটররা। 

কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম আনোয়ার পারভেজ সাংবাদিকদের জানান, ‘পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে স্টার গ্রুপের (স্টার প্লাস, স্টার জলসা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, স্টার গোল্ড ও লাইফ ওকে) সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে কেবল অপারেটররা।
তবে যেসব অপারেটর কোয়াবের সদস্য নয়, তারা সম্প্রচার চালু রেখেছে জানিয়ে আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘আমরা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছি, এর ফলে দেশের মোট ৭৫ শতাংশ দর্শক এবং ঢাকার প্রায় ৯০ শতাংশ দর্শক এসব চ্যানেল দেখতে পারছে না।
সিডিউল নিয়ে ‘মাইনকার চিপায়’ নুসরাত ফারিয়া
গত ২৮ অক্টোবর কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) ঐক্য পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাদু ভিশনের বিভিন্ন নেটওয়ার্কে বন্ধ করে দেওয়া স্টার গ্রুপের সিগন্যাল পুনঃসংযোগ না দিলে ৪ নভেম্বর থেকে এসব চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে চারটি বিদেশি পে-চ্যানেল পরিবেশক রয়েছে। এর মধ্যে জাদু ভিশন লিমিটেড স্টার গ্রুপের (স্টার প্লাস, স্টার জলসা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, স্টার গোল্ড ও লাইফ ওকে) বাংলাদেশের পরিবেশক হিসেবে ২০১০ সাল থেকে ব্যবসা করে আসছে।জাদু ভিশনের মালিকানা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রয়াত আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হকের।
জাদু ভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কুনাল দেশমুখ বলেন, “বর্তমানে দেশে ৬০০ এর উপর বৈধ কেবল অপারেটর রয়েছে, যাদের মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যক কেবল অপারেটর নিজেদের কোয়াব ঐক্য পরিষদ বলে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে অবাঞ্ছিত কিছু বিষয় সামনে নিয়ে এসে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণের চেষ্টা করছে।অল্প কিছু অপারেটর স্টার বয়কটের নামে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে দাবি করে কুনাল বলেন, “তারা নানা অজুহাতে বিপুল পরিমাণ বিল পরিশোধ করছে না।
সমস্যা সমাধানে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা চেষ্টা করছে সমস্ত বাংলাদেশের কেবল অপারেটরদের বিল অনৈতিকভাবে ‘ওয়ান অ্যালায়েন্স’ নামক সংগঠনের মাধ্যমে জোরপূর্বক সংগ্রহ করতে, যা ব্যবসায়িক নীতি ও আইনের পরিপন্থী।
আমরা বরাবরই সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। কোনো কেবল অপারেটর যদি বিল পরিশোধের মাধ্যমে এককভাবে বসে সমঝোতা করতে চায় তাহলে তাদের জন্য আমাদের দরজা সব সময়ই খোলা।Star জলসা সহ ভারতীয় ৭ চ্যানেল বন্ধ
সমস্যা সমাধানে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাদু ভিশনের এই কর্মকর্তা বলেন, কেবল অপারেটর এবং পে-চ্যানেল সরবরাহকারীর মধ্যে সরকার অনুমোদিত একটি সার্বজনীন সাবস্ক্রিপশন চুক্তি সরকার থেকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হোক। এর ফলে কেবল অপারেটররা ঝামেলা ছাড়াই ব্যবসা করতে পারবেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে না।’