ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে মারপিটে আহত স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৯৮ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি:

রাজশাহীতে মারপিটে আহত স্কুলশিক্ষক সোহেল রানা (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

পুঠিয়ার বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি জানান, সম্প্রতি পুঠিয়ার মাহেন্দ্রা বাজারে একটি দোকানের জায়গা কেনেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান আলী। কিন্তু জায়গাটি একই গ্রামের ভাদু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ও মাজেদুল ইসলাম নিজেদের দাবি করে দখল নেওয়ার চেষ্টা করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিবার সমঝোতায় বসেও কোনো সুরাহা হয়নি।

সর্বশেষ গত শুক্রবার সকালে আবারও মাহেন্দ্রা বাজারে উভয়পক্ষ মীমাংসায় বসেন। একপর্যায়ে কাজুল ও মাজেদুলসহ তাদের সহযোগী সুলতান ও জুবায়ের লাঠি দিয়ে সোহেল রানার মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, মারামারির ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় দিকে সোহেল রানার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। সেদিন মাজেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি বলেন, এখন সোহেল রানার মৃত্যু হওয়ায় মারামারির মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। সোহেলের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :

রাজশাহীতে মারপিটে আহত স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:১৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১

জেলা প্রতিনিধি:

রাজশাহীতে মারপিটে আহত স্কুলশিক্ষক সোহেল রানা (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

পুঠিয়ার বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি জানান, সম্প্রতি পুঠিয়ার মাহেন্দ্রা বাজারে একটি দোকানের জায়গা কেনেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান আলী। কিন্তু জায়গাটি একই গ্রামের ভাদু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ও মাজেদুল ইসলাম নিজেদের দাবি করে দখল নেওয়ার চেষ্টা করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিবার সমঝোতায় বসেও কোনো সুরাহা হয়নি।

সর্বশেষ গত শুক্রবার সকালে আবারও মাহেন্দ্রা বাজারে উভয়পক্ষ মীমাংসায় বসেন। একপর্যায়ে কাজুল ও মাজেদুলসহ তাদের সহযোগী সুলতান ও জুবায়ের লাঠি দিয়ে সোহেল রানার মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, মারামারির ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় দিকে সোহেল রানার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। সেদিন মাজেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি বলেন, এখন সোহেল রানার মৃত্যু হওয়ায় মারামারির মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। সোহেলের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।