ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৯৯৮ বার পড়া হয়েছে

আসিফের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক

আস্থা ডেস্কঃ

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে কারণেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অনুসন্ধান–সংশ্লিষ্ট দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের মধ্যেই তিনি দেশ ছাড়লে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এ কারণে তার বিদেশযাত্রা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।

দুদকের অনুসন্ধানে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার–বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগটি আলোচনায় এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে ভিলা, জমি ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫শ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫শ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ এবং সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে অর্থ রাখার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ ১৩ সেপ্টেম্বর জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাওয়া নতুন অভিযোগগুলো আগে থেকে চলমান অনুসন্ধানের সাথে যুক্ত করা হবে। অভিযোগের মধ্যে সরকারি বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে অর্থ লেনদেনের কথাও রয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং সারা দেশে ৩৬ জন জেলা প্রশাসক পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা করে লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের টেন্ডার–বাণিজ্য এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডারেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক।

এ ছাড়া ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১ হাজার ২শ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আব্দুস সালামকে নিয়োগে ১০ কোটি টাকা, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১শ ৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ এবং পদোন্নতির পর পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বাবা বিল্লাল হোসেন ও তার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। তার পিও মাহফুজুল আলম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধেও ঘুষ লেনদেনে তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তার বিরুদ্ধে পাওয়া নতুন অভিযোগগুলোও একই অনুসন্ধানের সাথে যুক্ত করার কথা জানায় সংস্থাটি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। ৯ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

পরে তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

১১ সেপ্টেম্বর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, কোনো তদন্তের ফলাফল বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের আগেই দুদকের বক্তব্যের কারণে তাকে নিয়ে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ শুরু হয়েছে।

এতে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে– এমন ধারণা তৈরি হয়ে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানাধীন; এগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়েছে– এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

আসিফের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসিফের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক

আস্থা ডেস্কঃ

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে কারণেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অনুসন্ধান–সংশ্লিষ্ট দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের মধ্যেই তিনি দেশ ছাড়লে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এ কারণে তার বিদেশযাত্রা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।

দুদকের অনুসন্ধানে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার–বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগটি আলোচনায় এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে ভিলা, জমি ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫শ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫শ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ এবং সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে অর্থ রাখার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ ১৩ সেপ্টেম্বর জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাওয়া নতুন অভিযোগগুলো আগে থেকে চলমান অনুসন্ধানের সাথে যুক্ত করা হবে। অভিযোগের মধ্যে সরকারি বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে অর্থ লেনদেনের কথাও রয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং সারা দেশে ৩৬ জন জেলা প্রশাসক পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা করে লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের টেন্ডার–বাণিজ্য এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডারেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক।

এ ছাড়া ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১ হাজার ২শ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আব্দুস সালামকে নিয়োগে ১০ কোটি টাকা, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১শ ৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ এবং পদোন্নতির পর পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বাবা বিল্লাল হোসেন ও তার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। তার পিও মাহফুজুল আলম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধেও ঘুষ লেনদেনে তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তার বিরুদ্ধে পাওয়া নতুন অভিযোগগুলোও একই অনুসন্ধানের সাথে যুক্ত করার কথা জানায় সংস্থাটি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। ৯ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

পরে তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

১১ সেপ্টেম্বর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, কোনো তদন্তের ফলাফল বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের আগেই দুদকের বক্তব্যের কারণে তাকে নিয়ে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ শুরু হয়েছে।

এতে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে– এমন ধারণা তৈরি হয়ে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধানাধীন; এগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়েছে– এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

আস্থা/এমএইচ